উপকূলে তিন নম্বর সতর্ক সঙ্কেত : বিমান ও লঞ্চ চলাচল শুরু

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানার পর তা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে রুপ নিচ্ছে। সকালে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানার পর তা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ দুর্বল হয়ে যাওয়ায় সমুদ্র বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা সঙ্কেত নামিয়ে আনা হয়েছে। চট্গ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় যথাক্রমে ১০ নম্বর ও ৮ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত নামিয়ে তিন নম্বর সমর্কতা সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৭ নম্বর বুলেটিনে এতথ্য জানানো হয়েছে।

1496113016

ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ দূর্বল হয়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদেরকে জানিয়েছেন। সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিমান চলাচল বন্ধ ছিল। এছাড়া ঢাকা থেকে দূর পাল্লার লঞ্চসহ সব ধরণের নৌযান চলাচলও শুরু হয়েছে।

এর আগে দুপুরে আবহাওয়া অধিদফতরে সংস্থার পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, দেশে বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে আরো ১২ঘন্টা। তবে ১২ ঘন্টা পরে ৩ নম্বর মহাবিপদ সঙ্কেত দেখাতে বলা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

তিনি জানান,  ঘূর্ণিঝড় মোরা সিলেট হয়ে ভারতের মণিপুরে গিয়ে শেষ হবে। তবে সিলেটে ঝড় বা বাতাস না হলেও হালকা বা ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

মোরা’র প্রভাবে ভোরে টেকনাফে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার ও সেন্টমার্টিনে ১১৪ কিলোমিটার। তবে এ ঘূর্ণিঝড়টি বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন গতিবেগে আঘাত হানছে। মোরা উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে নিম্নচাপে পরিণত হবে বলেও জানিয়েছিলেন আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Radio Today 89.6fm