‘বিদ্যুতের দাম বাড়লে ব্যবসায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে’

সানজিদা যূথী : গত ২৫ সেপ্টম্বর থেকে শুরু হওয়া গণশুনানিতে পাইকারি প্রতি ইউনিট বিদ্যৎ এর দাম প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে  ৬ থেকে ১৪ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে তা সম্পুর্ন অযোক্তিক বলে মনে করছেন দেশের ব্যবসায়িরা।

তারা বলছেন, বিদ্যুৎ এর দাম এভাবে বার বার বাড়ানো হলে দেশের ব্যবসা ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব বড়বে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাঁধা হয়ে দাড়াবে।

Screenshot_2২০১০ সালের ১ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাইকারি পর্যায়ে পাঁচবার এবং গ্রাহক পর্যায়ে সাতবার বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হয়েছে। আবার নতুন করে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানোর জন্য গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে গণশুনানী শুরু হয়েছে, সেখানে পাইকারি প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ এর দাম ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ৬ থেকে ১৪ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। 

তবে বিদ্যুতের এই দাম বাড়ানোর উদ্যোগে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া রয়েছে দেশের ব্যবসায়িদের মধ্যে।

ব্যবসায়িদের র্শীষ সংগঠন এফবিসিসিআইর পরিচালক হাবিব উল্লাহ দেওয়ান জানান, দেশের মোট রপ্তানী আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে তৈরী পোশাক খাত থেকে।

তবে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টের জঙ্গি হামলার পর এখাতে কিছুটা বিপর্যয় আসলেও বর্তমানে তা অনেকটা কাটিয়ে এ খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নতুন করে আবার বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানো হলে তৈরি পোশাকসহ শিল্পখাতে এর নেতিবাচক প্রভার পড়বে বলে মনে করেন তিনি।

নতুন করে বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ানোকে সম্পূর্ন অযোক্তিক উল্লেখ করে বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক্যাল এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দোকার রুহুল আমিন বলেন, বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে বরং বিদ্যৎ ব্যবহারে যাতে সবাই আরো সাশ্রয়ী হয় সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে পারে সরকার।

বিধি অনুযায়ী গণশুনানির পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে দাম বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন – বিইআরসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Radio Today 89.6fm