কিংবদন্তি অভিনেতা সুভাষ দত্তের প্রয়াণ দিবস আজ

গাজী হাবীবা আফরোজ, রেডিও টুডে।

একসময় সিনেমার পোষ্টার একে যিনি কর্মজীবন শুরু করেছিলেন পরবর্তীতে তিনিই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলা চল”িচত্রের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্বে। তিনি বাংলাদেশের প্রথম সবাক চল”িচত্র মুখ ও মুখোশের পোষ্টার ডিজাইনার, কালজয়ী পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও বরেণ্য অভিনেতা সুভাষ দত্ত।
১৯৩০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারী দিনাজপুরের মুনশীপাড়ায় মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শিল্পের প্রতি ভালোলাগা থেকেই তরুণ বয়সে একটি পাবলিসিটি স্টুডিওতে চল”িচত্র নির্মাণের কৌশল শিখতে ভারতের মুম্বাই যান। পরে ১৯৫৩ সালে ঢাকায় ফিরে প্রচারসং¯’Íা এভারগ্রিনে যোগ দেন। প্রথম অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এহতেশাম পরিচালিত এদেশ তোমার আমার সিনেমায়। আর মটির পাহাড় চল”িচত্রের আর্ট ডিরেকশনের মধ্য দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি ঘটে তার। তবে সত্যজিত রায় পরিচালিত পথের পাঁচালী দেখে অনুপ্রাণীত হয়ে ১৯৬৪ সালে সফলভাবে পরিচালনা করেন সুতরাং সিনেমা। যেখানে নবাগত অভিনেত্রী কবরীর বিপরীতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন সুভাষ দত্ত নিজেই। ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চল”িচত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চল”িচত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে এটি।
সুতরাং ছাড়াও দেশবরেণ্য এই পরিচালকের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে আবির্ভাব, কাগজের নৌকা, ডুমুরের ফুল, অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী,বসুন্ধরা এবং সবুজসাথী।
চল”িচত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জাতীয় চল”িচত্র পুরস্কার, একুশে পদক ছাড়াও বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভুষিত হন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই মানুষটি। ।
২০১২ সালের আজকের দিনে চিরদিনের মত নাফেরার দেশে চলে যান সুভাষ দত্ত। প্রয়ান দিবসে এই কিংবদন্তিকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধা আর ভালবাসায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Radio Today 89.6fm