শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ঘুরে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ

নিদাহাস টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাড়িয়েছে বাংলাদেশ। লংকানদের দেয়া দুশ’১৫ রানের জবাবে ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় বাংলাদেশ। টিটোয়েন্টিতে সর্বশেষ ১৪ ম্যাচের ১৩টিতেই পরাজয় আর ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একের পর এক হারে জয়ের স্বাদ কেমন তা যেন ভুলেই গিয়েছিল টাইগাররা। অবশেষে সেই শ্রীংলঙ্কার বিপক্ষেই তাদেরই মাটিতে এল রেকর্ডময় জয়। স্বাগতিকদের দেয়া ২১৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে একটিবারও হাল ছাড়েনি টিম বাংলাদেশ। দেখিয়ে দিয়েছে এত চাপেও থেকেও কিভাবে জয় ছিনিয়ে আনা যায়।

ওপেনিংয়ে নেমে জয়ের ভিত্তিটা গড়ে দিয়েছিলেন লিটন দাস আর তামিম ইকবাল। দুজনের ব্যাটে ঝড়ো সূচনা। ৪ দশমিক ১ ওভারে দলীয় ৫০ রান পূর্ণ করে প্রেমাদাসার গ্যালারি নিরব বানিয়ে দেন এ দুজন। ৫ দশমিক ৫ ওভারে ৭৪ রানের জুটি গড়ে নুয়ান প্রদীপের স্লোয়ারে বিদায় লিটন দাসের। অবশ্য তার আগেই ১৯ বলে ৪৩ রানের ক্যামিও ইনিংস উপহার দেন লিটন।এরপর তািিমম সৌম্য মিলে ৯ দশমিক ২ ওভারে একশ পার বাংলাদেশের।

যদিও পরের বলেই লিটনের মত ব্যাক্তিগত অর্ধশতক না করতে পারার আক্ষেপ নিয়ে বিদায় নেন তামিম। ফেরেন ৪৭ রানে। দুই উইকেট হারালেও ওভার প্রতি দশের বেশী রান তুলে লংকানদের চাপে রাখেন মুশফিক আর সৌম্য। ১৪ ওভারে দেড়শ রান তুলে ভয় ধরিয়ে দেয় লংকানদের কপালে। একশ’৫১ রানে সৌম্য বিদায়ের পর অধিনায়ক মাহমুদুল­াহর ১১ বলে ২০ রানে জয়ের কাছে চলে যায় টাইগাররা। যদিও ১৮ আর ১৯ ওভারে মহমুদুল­াহ আর সাব্বিরের বিদায়ে কিছুটা চিন্তা দেখা দেয় টাইগারদের কপালে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯রান। এক চার আর দুটি ডাবল আর এক সিঙ্গেল নিয়ে সেই অধরা জয় তুলে নিয়ে মুশফিকের উদযাপন আর দেখে কে। দেখিয়ে দিলেন দুই হাতে ফনা তুলে কোবরা উদযাপন। ৩৫ বলে ৭২ রান করে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। এর আগে প্রেমাদাসায় বৃষ্টিতে ম্যাচ শুরু হতে দেরী হয়েছে দশ মিনিট। টস ভাগ্যের খেলায় জয় পেয়ে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত মাহমুদুল­াহ রিয়াদের। তবে বল হাতে নিয়ে মোটেও সুবিধা করতে পারেননি তাসকিন-মুস্তাফিজ-রুবেলরা। চার-ছয়ের ঝড় তুলবেন লংকান দুই ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকা আর কুশল মেন্ডিস যেন এমন পণ করেই নেমেছিলেন উইকেটে। মেন্ডিসের ৩০ বলে ৫৭ পেরেরার ৪৮ বলে ৭৪ আর থারাঙ্গার ১৫ বলে ৩২ রানে দুশ’১৪ রানে থামে লংকানদের ইনিংস। যদিও সেটি যথেষ্ট হয়ণি তামিম-লিটন-মুশফিক আর মাহমুদুল­াহদের সামনে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Radio Today 89.6fm